সাগরিকার কীর্তনে মুগ্ধ সঙ্গীত প্রেমীরা

বিনোদন ডেস্ক;
  • প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর ২০২২, ৯:৪৮ অপরাহ্ণ | আপডেট: ৩ মাস আগে

তুলসী রাণী দাস সাগরিকা। একজন তরুণ কীর্তন শিল্পী। সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার সুপটেক গ্রামের শ্রীবাস দাসের মেয়ে সাগরিকা গত ২ বছরে সিলেট বিভাগসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পালাবলি কীর্তন সঙ্গীত পরিবেশন করে সুনাম অর্জন করেছেন। তার গানে মুগ্ধ হন সঙ্গীত প্রেমী মানুষজন। হিন্দু ধর্মীয় গানের মুর্ছনায় বিমোহিত হন সনাতন ধর্মালম্বীরা। এখন পর্যন্ত ৫ শতাধিকের বেশি কীর্তন পরিবেশন করেছে সাগরিকা। তার রয়েছে নিজস্ব ফেসবুক পেইজ।

সেখানে নিয়মিত আপলোড করেন কীর্তন গান। তার একাধিক গান ইতিমধ্যে সঙ্গীত প্রেমীদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন। সেই সাথে ঘরকে সাজিয়ে তুলেছেন পুরস্কারের ঢালি দিয়ে। শিশু সন্তান, বিহারী লাল কৃষ্ণ ভক্তি, হরিদাসের হরি ভক্তি, ঘাটের তরী সোনার পরিণত, ভেদোমতি কৃষ্ণ প্রেম, কুরক্ষেত্রে গান্ডারি বিলাপ, জাগো হিন্দু, রাধা গোবিন্দ, কীর্তন জগৎ, সনাতনী সংঘ, জয় দুর্গতে ইত্যাদি গান গেয়ে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।

২০০৫ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে জন্ম গ্রহণকারী এই কিশোরী একজন মেধাবী শিক্ষার্থীও। জেএসসি পরীক্ষায় পেয়েছেন জিপিএ-৫। এবার তিনি এসএসসি পরীক্ষাও দিয়েছেন। আশা রাখেন কৃতত্বেও ফলাফলের। ভবিষ্যতে তিনি ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক হতে চান। এছাড়া তিনি ২০২১ সাল থেকে এখন পর্যন্ত পালাবলি কীর্তন পরিবেশন করে আসছেন।

 

কীর্তন শিল্পী সাগরিকা জানায়, গত দেড় বছর ধরে সিলেটসহ দেশের বিভিন্নস্থানে আমি কীর্তন পরিবেশন করেছি। আমার কীর্তনের মাধ্যমে সনাতন সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। আমার ইচ্ছে পড়াশোনা করে মানুষ গড়ার কারিগর শিক্ষক হওয়ার। মানুষের ভালোবাসার মধ্যে থেকে আমি কীর্তন পরিবেশনা ধরে রাখতে চাই। এজন্য আমি সকলের সহযোগীতা চাচ্ছি।

সাগরিকার পিতা শ্রীবাষ দাস বলেন, আমার মেয়েটি কীর্তন পরিবেশন করে অনেক দূরে এগিয়েছে। তার কীর্তনের ¯্রােতা সিলেটসহ দেশের বিভিন্নস্থানে রয়েছেন। মেয়েটির স্বপ্ন কীর্তনের পাশাপাশি মানুষের জন্য শিক্ষকতা করে আলো ছড়িয়ে দিতে চায়।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও খবর...

পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরি