সব
সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস জেলা সদরে স্থাপনের দাবিতে নাগরিক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা শহরের সুধীজনদের উপস্থিতিতে বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় স্থানীয় শহীদ জগৎজ্যোতি পাঠাগার (পাবলিক লাইব্রেরি) মিলনায়তনে এ মতবিনিময় সভা চলে।
জেলা বিএনপির সদস্য মোনাজ্জির হোসেন সুজনের পরিচালনায় নাগরিক মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাড. হুমায়ুন মঞ্জুর চৌধুরী।
সভা শেষে জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাড.হুমায়ুন মঞ্জুর চৌধুরী আহবায়ক, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাড.রবিউল লেইস রোকেস, সাবেক অধ্যাপক সৈয়দ মহিবুল ইসলাম’কে যুগ্ম আহবায়ক ও জেলা বিএনপির সদস্য মোনাজ্জির হোসেন সুজন’কে সদস্য সচিব হিসেবে মনোনীত করেন উপস্থিত সুধীজন। দ্রুত পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে বলে জানানো হয়েছে নাগরিক মতবিনিময় সভায়।
দুই ঘন্ট্যাব্যপী চলা মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন- বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন জেলা শাখার আহবায়ক ইমন উদ দোজা, অ্যাড. মহসিন রেজা মানিক, সুনামগঞ্জ পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল্লাহ আল নোমান, বিএনপি নেতা আবুল মনসুর শওকত, রাজনীতিবিদ আব্দুর রব, অ্যাড. বজলুল রশিদ, অ্যাড. ড. জিয়াউর রহিম শাহীন, সুনামগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাবেক অধ্যক্ষ শেরগুল আহমেদ, শিক্ষাবিদ চিত্তরঞ্জন তালুকদার, বিএনপি নেতা রেজাউল হক, রাজনীতিবিদ রমেন্দ্র কুমার দে মিন্টু, অ্যাড. মাসুক আলম,
বিএনপি নেতা আকবর আলী, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি পিপি অ্যাড. মল্লিক মঈনুদ্দিন সোহেল, সাবেক সভাপতি অ্যাড. রবিউল লেইস রোকেস, সাবেক অধ্যাপক সৈয়দ মহিবুল ইসলাম, শিক্ষাবিদ যুগেস্বর দাস, সাবেক সিভিল সার্জন ডা. সৈয়দ মোনওয়ার আলী, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রাজনীতিবিদ মরমী সাধক হাছন রাজার প্রৌপুত্র দেওয়ান জয়নুল জাকেরিন, অ্যাড. হোসেন তওফিক চৌধুরী, শিক্ষাবিদ ধুর্যটি কুমার বসু, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাড. আবু আলী সাজ্জাদ হোসাইন।
বক্তারা বলেন- চলতি শিক্ষাবর্ষ থেকে সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (সুবিপ্রবি) এর অস্থায়ী শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। উচ্চ শিক্ষার এই প্রতিষ্ঠান নিয়ে উচ্ছ্বসিত জেলার সর্বস্তরের মানুষ। তবে, এর স্থান নির্ধারণ বৈষম্যমূলক। এ নিয়ে শুরু থেকে তুমুল বিতর্ক ছিল। জেলা শহরকে পাশ কাটিয়ে একটি উপজেলায় এর ক্যাম্পাস স্থাপনের তৎপরতায় চরমভাবে ক্ষুব্ধ জেলার মানুষ। প্রথম থেকে মানুষের দাবি ছিল বিশ্ব বিদ্যালয়ের স্থান হবে জেলা শহরের কাছাকাছি স্থানে। কিন্তু গণমানুষের দাবির প্রতি শুরু থেকেই তৎকালীন পরিকল্পনামন্ত্রী তীব্র বিরোধিতা করেন। শান্তিগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা ওই সাবেক মন্ত্রী এখনো বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস জেলা সদরকে পাস কাটিয়ে তার নিজ উপজেলা সদরে করতে আপ্রাণ চেষ্টায় রয়েছেন। এটি উন্নয়নের জন্য চরম বৈষম্যমূলক ও দুঃখজনক বলে দাবি করেন বক্তাগন।
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরি