সওজের জমিতে স্কুল কর্তৃপক্ষের দোকান নির্মাণের অভিযোগ

কুলাউড়া প্রতিনিধি;
  • প্রকাশিত: ২৬ জানুয়ারি ২০২৪, ১১:১৯ অপরাহ্ণ | আপডেট: ১ বছর আগে

মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার শাহবাজপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে সড়ক ও জনপথ বিভাগের জমিতে দোকান নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি জমিতে পাকা স্থাপনা নির্মাণে সড়ক সরু হয়ে দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। সওজের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী শাহ আলম বলেছেন, খোঁজ নিয়ে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

জানা গেছে, সড়ক ও জনপথ বিভাগের বড়লেখা-শাহবাজপুর ভায়া দৌলতপুর সড়কের শাহবাজপুর বাজারের প্রবেশমুখে সড়কের পাশে শাহবাজপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের সীমানা রয়েছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীরা অভিযোগ করেন, স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ সড়ক ও জনপথ বিভাগের জমির সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের জমির সীমানা নির্ধারণ করেনি। এ অবস্থায় সিংহভাগ সরকারি জমিতে দোকান নির্মাণ করে ভাড়া দিচ্ছে। এর একাংশে কিছু জায়গা ফাঁকা ছিল। সেখানেও চার দিন আগে দোকান নির্মাণের কাজ শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। এতে সচেতন মহলে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। ভাড়া দেওয়ার জন্য এখানে তিনটি কক্ষ তৈরি করানো হচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে সরকারি পাকা সড়ক সংলগ্ন স্থানে দোকান নির্মাণের কাজ চলতে দেখা গেছে। শাহবাজপুর বাজার বণিক সমিতির সাবেক সভাপতি আব্দুর রহমান বাবুল জানান, তার জানা মতে, যেখানে দোকান বানানো হচ্ছে এর বেশিরভাগ জমি সড়ক ও জনপথ বিভাগের। সড়কের জমিতে স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ কীভাবে স্থাপনা নির্মাণ করল বা এখন করছে তিনি তা জানেন না।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন আহমদ জানান, স্কুল কর্তৃপক্ষের ইতিপূর্বের তৈরি করা দোকানের সিংহভাগ জমিই সরকারি জমি। এবার নির্মাণকাজ শুরু করতেই তিনি তাদের বাধা দিয়েছিলেন। কিন্তু তা মানা হয়নি।

এ ব্যাপারে স্কুলটির অধ্যক্ষ আব্দুল বাছিত বলেন, ‘সড়কের জমিতে নয়, স্কুল অ্যান্ড কলেজের নিজস্ব জমিতেই কমিটির অনুমোদন নিয়ে দোকান নির্মাণ করা হচ্ছে। তবে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সঙ্গে সীমানা নির্ধারণ করে স্থাপনা তৈরির কাজ শুরু করা হয়নি।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী শাহ আলম জানান, সীমানা নির্ধারণ ব্যতিত সওজের জমি সংলগ্ন স্থানে কারও স্থাপনা নির্মাণ করা মোটেও সঠিক নয়। তিনি খোঁজ নিয়ে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও খবর...

পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরি