প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

;
  • প্রকাশিত: ১৩ নভেম্বর ২০২০, ১১:১৫ অপরাহ্ণ | আপডেট: ৫ মাস আগে

গত ২০২০ সালের ৮ নভেম্বর দৈনিক জাগ্রত সিলেট পত্রিকার প্রথম পাতায় প্রকাশিত ‘টুলটিকরে বেপরোয়া মামলাবাজ ভূমিখেকো রুহুল’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ২৪নং ওয়ার্ডের মিরাপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল গফুর উরফে উনাই মিয়ার পুত্র রুহুল আমিন।

তিনি বলেন, প্রকাশিত সংবাদটি মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও কাল্পনিক। সংবাদে উল্লিখিত ‘এলাকায় অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। জায়গা দখল করে চাঁদা দাবি করা, চাঁদা না দিলে মা, বোন, স্ত্রী দিয়ে থানায় মামলা করা। সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়া’র মতো কোনো ঘটনা কোনো কালেই ঘটে নাই। একটি স্বার্থান্বেষী মহলের প্ররোচনায় এ মিথ্যা সংবাদের অবতারণা করা হয়েছে শুধু আমাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার পাশাপাশি আমার ক্ষতি করার জন্য। সংবাদটি প্রকাশের ক্ষেত্রে সংবাদকর্মী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কোন বক্তব্যও গ্রহণ করেননি।

প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে রুহুল আমিন বলেন, নগরীর কাজিটুলার বাসিন্দা শাহ নূর আহমদ খান সিসিকের ২৪নং ওয়ার্ডের পাশে সদর উপজেলার ৫নং টুলটিকর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মিরাপাড়া গ্রামে কোনো (৭ শতক) জায়গা ক্রয় করেন নাই। সেখানে কোনো টিনসেডের ঘরও নাই।

মূলত আমার মৌরসী ও খরিদা স্বত্বের ১৪৩৭ দাগের সংলগ্ন এভারগ্রীণ প্রকল্প গড়ে উঠেছে। যা দেবপুর মৌজার এই আবাসন প্রকল্পের নিজস্ব ও ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীরা আমার ১৪৩৭ দাগে জোরপুর্বক দখল নেওয়ার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। তারা বিভিন্ন সময় উক্ত ভূমিতে কাম কাজ ও বাসাবাড়ি বানোনোর পায়তারা করে সস্ত্রাসী কর্মকান্ড চালায়। সন্ত্রাসীদের মূল হোতা ও হাউজিং এর চেয়ারম্যান জামাত-শিবিরের অর্থ দাতা জামাল উরফে ফেছন মিয়া ও তার ছেলেরা।

গত ২০১৫ সালে ১ জানুয়ারী আমাকে ও আমার পরিবারেব সদস্যদের উপর হামলা করার জামাল উরফে ফেছন মিয়ার ছেলে ১৪/২০১৫ নং মামলায় ২৬ দিন জেল খেটে বের হয়। এই মামলা বর্তমানে বিচারাধীন আছে।

এদিকে এখন আবার এই জায়গা দখল নিতে তারা প্রতিনিত দাঙ্গা হাঙ্গামা করছে। এবং আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। আর তাদের এই সব অপর্কমের মদদ দিচ্ছে জামাল উরফে ফেছন মিয়ার আপন ভাগনা চেয়ারম্যান আলী হোসেন ও আপন ভাতিজা মেম্বার মাহবুব আমীন। তাদের প্রভাবে আমাদের জায়গা নেওয়ার পায়তারা করছে। এবং বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় সাক্ষী দিয়ে জেল খাটানোর চেষ্টা করে আসছে। এমনকি তারা আমার মৌরসী ও রায়-ডিক্রির জায়গার উপর লোলুপ দৃষ্টি ফেলেছে।

তিনি আরো বলেন, টুলটিকর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলী হোসেনের নেতৃত্বে প্রকল্পের দালালরা বিভিন্ন সময় ভূমির জাল কাগজ সৃষ্টি করে। এবং ইউনিয়নে আপত্তি থাকা স্বত্বেও বিভিন্ন প্লটে জোরে কাম কাজ কারানোর চেষ্টা করে। এরই ধারাবাহিকতায় হাউজিং এর দালালরা আমার ১৪৩৭ দাগে ৪৪ পয়েন্ট জমি নামজারী করে নেয়। পরর্বতীতে সিলেট সদরের সহকারী কমিশনারকে (ভুমি) ভুল তথ্য দিয়ে ৪৪ পয়েন্টের বদলে ১৬ শতক জায়গা নামজারী করায়। পরে মাননীয় যুগ্ম জেলা জজ ২য় আদালত, সিলেটে দায়েরকৃত স্বত্ব ৬০/২০১৫ নং মোকদ্দমায় উক্ত জাল নামজারী নিয়া বিগত ২৫ মে ২০১৯ তারিখে একটি দরখাস্থ দাখিল করি। উক্ত মামলা বর্তমানে বিচারাধীন আছে।

 

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও খবর...

পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ