জুড়ীতে অবৈধভাবে পাহাড়কাঠা থামছেই না!

জুড়ী প্রতিনিধি;
  • প্রকাশিত: ২৭ অক্টোবর ২০২০, ৪:১৯ অপরাহ্ণ | আপডেট: ৬ মাস আগে

মৌলভীবাজার জেলার জুড়ীতে পাহাড়ের টিলা কেটে বসতঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এতে একদিকে যেমন ধ্বংস হচ্ছে ভূমি। অন্যদিকে পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কাও রয়েছে। জানা যায়, প্রকৃতির অপরুপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি সীমান্তবর্তী উপজেলা জুড়ী। পাহাড়ের মাটিকাটা অবৈধ হলেও জুড়ীতে যেন পাহাড় কাটা থামছেই না। একটি চক্র বিভিন্ন সময়ে পাহাড় কেটে সাবাড় করছে।প্রশাসনের অভিযানেও এদের দৌরাত্ম্য যেন কমছেই না। অধিকাংশ পাহাড় কেটে তৈরি করা হচ্ছে বসতঘর।

সূত্র জানায়, একটি চক্র পাহাড়ের টিলা কেটে বসতবাড়ি নির্মাণের উপযোগী করে অন্যত্র বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। দিনের পর দিন যেভাবে পাহাড় কাটা হচ্ছে এতে এলাকার পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা বাড়ছে। এছাড়াও বর্ষা মৌসুমেও পাহাড় ধ্বংসের শঙ্কা রয়েছে।জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর ও জুড়ী উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে,উপজেলার গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের দ্বহপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আতিকুল ইসলাম নিজের মালিকানাধীন উঁচু টিলা গত কয়েকদিন যাবত কেটে সাবাড় করছেন। গত কয়েকদিনের ভারী বর্ষণের ফলে কাটা টিলা এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। ইতিমধ্যে টিলার প্রায় আট শতক জায়গা কেটে নিচে একটি পাকার বসতঘর নির্মাণ করা হয়ে গেছে।

এলাকাবাসীর কাছ থেকে খবর পেয়ে ২৫ অক্টোবর বিকেলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে একটি দল সেখানে অভিযান চালায়।অভিযানের সময় পরিবেশ অধিদপ্তরের মৌলভীবাজার কার্যালয়ের ইন্সপেক্টর ফখর উদ্দিন চৌধুরী সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অভিযানকারী দলের উপস্থিতি টের পেয়ে মালিক আতিকুল ইসলাম পালিয়ে যায়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোস্তাফিজুর রহমান ও পরিবেশ অধিদপ্তর মৌলভীবাজার জেলার ইন্সপেক্টর ফখরুদ্দিন চৌধুরী অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ১৯৯৫ সালের পরিবেশ আইনে টিলার মালিকের বিরুদ্ধে মামলা হবে। টিলা কাটার বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। টিলা কেটে যারা পরিবেশ বিনষ্ট করবে তাদের কোন ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও খবর...

পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ