শ্রীমঙ্গলে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সংগঠনের মানববন্ধন

এস কে দাশ সুমন, শ্রীমঙ্গল ;
  • প্রকাশিত: ১১ অক্টোবর ২০২০, ৩:১০ অপরাহ্ণ | আপডেট: ৬ মাস আগে

শ্রীমঙ্গলে দেশব‍্যাপী সংগঠিত ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার ১১ অক্টোবর সকাল ১১ টায় শ্রীমঙ্গল চৌমুহনা চত্বরে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বিকুল চক্রবর্তীর সঞ্চালনায় ও সহ-সভাপতি শামীম আক্তার হোসেনের সভাপতিত্বে একটি শান্তিপুর্ণ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। এ মানববন্ধনে একাত্মতা প্রকাশ করে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ গার্লস গাইড ক্লাব, ইনার হুইল ক্লাব, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ শ্রীমঙ্গল শাখা কমিটি।

মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় যোগ দিয়ে বক্তব্য রাখেন শ্রীমঙ্গল সন্ধানী শিল্পীগোষ্টীর সভাপতি দেবব্রত দত্ত, বাংলাদেশের ওয়াকার্স পার্টির নেতা সৈয়দ আমিরুজ্জামান, সাংবাদিক দীপংকর ভট্টাচার্য লিটন, এশিয়ান টিভির শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ প্রতিনিধি এস কে দাশ সুমন, বৈশাখী টিভির জেলা প্রতিনিধি ইমন দেব চৌধুরী, সম্মিলিত নাট্য পরিষদের সভাপতি রজত শুভ্র চক্রবর্তী, কোষাধ্যক্ষ সাংবাদিক সুমন বৈদ্য, বিটিআরআই উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সায়েক আহমেদ, ইনার হুইল ক্লাবের উপদেষ্টা ও গার্লস গাইড ক্লাব যুগ্ন সম্পাদক রীতা দত্ত, রহিমা বেগম, ইনার হুইল ক্লাবের সভাপতি দিল আফরোজ, মহিলা পরিষদের সাধারন সম্পাদক জয়শ্রী চৌধুরী শিখা, সেন্ট মার্থাস স্কুলের সহকারী শিক্ষিকা দিপ্তী চক্রবর্তী, কুশমী গোস্বামী, পায়েল গোস্বামী, প্রভাসিনী সিনহা, মাই টিভির জেলা প্রতিনিধি সঞ্জয় দে, কেয়া পাল, প্রিয়াংকা গোস্বামী প্রমুখ।

এ মানববন্ধনে উপস্থিত বিভিন্ন বক্তা তাদের বক্তব্যে বলেন, ‘ নারীরা এদেশে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিশ্চয়ই আমাদের নিরাপত্তার দিকটি বিবেচনায় নেবেন। বিচারের এই দুু্র্বল জায়গাটুকু ঠিক করতে হবে না হয় মৃত্যুদন্ড দিয়েও এগুলো কমানো সম্ভব নয়। তবে, কোন মার্তৃগর্ভেই ধর্ষক বা অপরাধী জন্মায় না। অপরাধী সৃষ্টি হয় সমাজে। পরিবার যদি সন্তানকে মূল্যবোধের দীক্ষা না দিতে পারে, শিক্ষক যদি নৈতিক ভিত্তি করে দিতে না পারে তাহলে একটি প্রজন্ম ধ্বংস হয়ে যাবে, সুতরাং – সবার আগে সমাজের অবক্ষয় দুর করার প্রয়াস নিতে হবে, শুধু বিচার বা পুলিশিং নয়, কাউন্সিলিং এর পরিধি বাড়াতে হবে। যাতে ধর্ষক সৃষ্টি হতে না পারে সে ব্যবস্থা করতে হবে, কেউ ধর্ষক হউক তা আমরা চাই না, ধর্ষক হওয়ার পর সঠিক ও দ্রুত বিচার যেমন প্রয়োজন তেমনি যাতে কোনও মায়ের ছেলে সন্তান ধর্ষক না হয় সে সুত্রও আমাদের বের করতে হবে। পারভার্সন বা বিকৃত মানসিক অবস্থা সমাজে আশংকাজনকভাবে বিরাজ করছে কিনা তাও বের করতে হবে। বাংলাদেশের সামাজিক কাঠামোর মধ্যে কি ট্রেডিশ্যনাল এলিমেন্টস আছে, সেগুলো ধর্তব্যের মধ্যে নিয়ে আমাদের জীবনযাত্রা পরিচালিত করতে হবে যাতে কোনও অপসংস্কৃতি আমাদের জাতিগত নৈতিক ভিত্তিকে প্রভাবান্বিত করতে না পারে।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও খবর...

পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ