ছাত্র রাজনীতিতে তারেক এক উজ্জ্বল তারা

শুভ;
  • প্রকাশিত: ৬ অক্টোবর ২০২০, ১০:৩৬ অপরাহ্ণ | আপডেট: ৬ মাস আগে

ছাত্র রাজনীতির এক আগ্নেয়গিরি আমাদের তারেক হাসান চৌধুরী। তারেক হাসান চৌধুরী সাবেক সমাজ সেবা সম্পাদক, সিলেট জেলা ছাত্রলীগ। জীবন ও যৌবনকে যিনি তিলে তিলে বিলিয়ে দিচ্ছেন রাজনীতির ময়দানে, জনসেবার অঙ্গনে।
ছাত্র রাজনীতির অগ্নিঝরা মুহূর্ত গুলোতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তিনি কখনো রাজপথে বুলেটের সামনে, কখনো কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে, কখনো রাজনৈতিক অপশক্তির সম্মুখ সমরে, কখনো রাজশক্তির মিথ্যা মামলা নিয়ে দিনের পর দিন, সপ্তাহের পর সপ্তাহ, মাসের পর মাস কত বিনিদ্র রজনী কাটিয়েছেন।

যখনি রাজপথে ডাক এসেছে গনতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন সংগ্রামে, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়েছেন তিনি। কখনো নিজের নিরাপত্তার কথা, নিজের শান্তি- স্বস্হির কথা চিন্তা করেননি। পরিবেশ যতই কঠিন হোক না কেন, তিনি সে পরিবেশকে কখনো ভয় করেননি বরং পরিবেশকে জয় করেছেন বারবার।

ভয় কি, সেটা তারেক চৌধুরী বুঝেনা, জানেনা। সে তো অগ্নিঝরা ময়দানের এক মহাবীর। এ রকম নেতৃত্ব খুব কমই চোখে পড়ে। কখনো জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়, কখনো সিলেট এম সি কলেজ ও কখনো সিলেট আইন কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্রদের অধিকার আদায়ে প্রতিটি মুহূর্তে ব্যস্ত তিনি। রণাঙ্গনের বীর রণাঙ্গনে সাজে। কখনো ছাত্র রাজনীতির উত্তপ্ত ময়দানে তাঁকে নেতৃত্ব দিতে দেখেছি।

তারেক হাসান চৌধুরী সকলের আপন ভাই। তাঁর কাছে দলীয় বিবেচনায় কাউকে শত্রু মনে করেন না। ক্যাম্পাসে সে যে দলেরই হোক, তাঁর সমস্যা সমাধানে তিনি আপন ভাইয়ের মতো কাজ করেন। সে ছাত্র-ছাত্রী হোক কানাইঘাটের, হোক টেকনাফের, হোক তেতুলিয়ার সেটা বিবেচনায় কখনোই আনেননি। সে যে একই প্রতিষ্ঠানের, একই ক্যাম্পাসের ছাত্র। এজন্য তারেক চৌধুরী হয়ে উঠেন প্রতিটি ক্যাম্পাসে অপ্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্র নেতা হিসেবে। প্রতিটি ক্যাম্পাসে একই সুর আমাদের তারেক চৌধুরী।

সে যে দলের ছাত্র -ছাত্রী, কর্মী হোক না কেন, সকলের আপনজন, আপনভাই, আপন বন্ধু তারেক চৌধুরী। শিক্ষক, ছাত্র, ছাত্রী, কর্মচারী, অভিভাবক সকলের কাছে এক গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব, এক আলোকিত ছাত্রনেতা তারেক চৌধুরী। যেখানে শিক্ষার্থীদের সমস্যা বিরাজমান, সেখানে তারেক চৌধুরীর উপস্হিতি। আবার অন্যায় – অসত্যের বিরুদ্ধে এক আগ্নেয়গিরি। সে যে দলেরই হোক, তাঁর পাশে তারেক চৌধুরী। বিপদ গ্রস্হ, মজলুম মানুষের পাশে বারবার দাড়াতে দেখেছি তাঁকে।

দল বিবেচনায় না এনে তিনি মজলুম, অসহায় মানুষের পাশে দাড়াতে দেখেছি। অন্যায়কে কখনো প্রশ্রয় দিতে দেখিনি তাঁকে। নিজ দলের হলেও তিনি ঘৃনার চোখে দেখেন। তাঁর মাঝে নেই কোন কাপুরুষতা।

হাজারো ব্যস্ততার মাঝে তাঁকে তাঁর ধর্মীয় অনুশাসন মানতে দেখেছি। ইচ্ছাকৃতভাবে নামাজ, রোজা ছাড়তে দেখিনি কখনো। তাঁর ভরসার স্হল একমাত্র আল্লাহ, এ বিশ্বাস নিয়ে জীবন সংগ্রামে এগিয়ে চলছেন তারেক চৌধুরী।

বড়দের সম্মান ও ছোটদের স্নেহ করার গুনটি তাকে জীবন চলার পথে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে গেছে। ভিন্ন আদর্শের লোককেও সম্মান করতে দেখেছি। বিশেষ করে তিনি মা ও বড় ভাইয়ের ভক্ত। বড় ভাই সাদেক চৌধুরী ও মায়ের অনুপ্রেরণায় তিনি এতোদূর আসতে পেরেছেন। বড়ভাই সাদেক চৌধুরী সরকারি চাকুরী করেন।

বড় ভাইয়ের একটিই স্বপ্ন স্নেহের ছোট ভাই একদিন দেশসেরা আদর্শবান মানুষ হবে। মানুষের কল্যাণে কাজ করবে তারেক চৌধুরী। সে স্বপ্ন নিয়ে প্রতিটি মুহূর্তে বড়ভাইয়ের পদচারনা। পারিবারিক পরিমন্ডলে, প্রতিবেশীর মাঝে, নিজ জনপদের মানুষের কাছে টগবগে ফুটন্ত যুবকটি আগামী দিনের আশা- ভরসার স্হল। আগামীদিনের স্বপ্নের জায়গা তাদের তারেক চৌধুরী।

তারেক চৌধুরীর জন্ম কানাইঘাটের দর্পনগরের এক অভিজাত ও রাজনৈতিক পরিবারে। তাঁর পিতা হেলাল চৌধুরী ছিলেন এক শিক্ষাবিদ। তাঁর দাদা মোবারক আলী চৌধুরী ছিলেন আরেক দেশ বরেণ্য রাজনীতিবিদ ও শিক্ষাবিদ। তাঁর জীবন হোক আলোকোজ্জ্বল ও গতিসম্পন্ন এ কামনায়।
লেখক : শুভ, সিলেট।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও খবর...

পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ