রাতারগুলে বাড়ছে পর্যটকদের আনাগোনা

সিলেট ডায়রি ডেস্ক ;
  • প্রকাশিত: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: ৭ মাস আগে

দেশের একমাত্র মিঠাপানির জলাবন রাতারগুল সবুজে সবুজ। করোনার ভয় কাটিয়ে একটু একটু করে বাড়ছে পর্যটকদের আনাগোনা।
পরিবেশকর্মীরা বলছেন, সংরক্ষিত জীববৈচিত্র্যের এই বনটিকে সবার জন্য খুলে দেয়ার আগে একটি সুনির্দিষ্ট নির্দেশনামূলক নীতি প্রয়োজন। জলের ওপর পুরো একটা বন।

মুর্তার বন ঠেলে এগিয়ে গেলে, সারিবাঁধা করচের সবুজের ফাঁকে ফাঁকে রৌদ্র ছায়ার লুকোচুরি খেলা। প্রায় ৭৩ প্রজাতির উদ্ভিদ আর প্রাণির এই সংরক্ষিত অভয়ারণ্যটি পর্যটকদের অনিয়ন্ত্রিত চলাফেরায় হারাচ্ছিল তার রূপ। করোনার প্রার্দুভাবে পর্যটকশূন্য হওয়ায় ছ’মাসে বন ফিরে পেয়েছে তার নির্জনতা।

করোনার ভয় কিছুটা কেটে যাওয়া আর বন্দিজীবনে হাঁপিয়ে ওঠা মানুষ বিধি নিষেধ উপক্ষো করেই আবারো ছুটে যাচ্ছে রাতারগুলে। তবে পূর্ণ সবুজে মুগ্ধ হয়ে তারাও বলছেন, সচেতনতা বাড়ানোর কথা। প্রায় ৫০৪ একর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত রাতারগুল বিশ্বের মাত্র ২২টি মিঠাপানির জলারবনের মধ্যে একটি।

পরিবেশবাদী সংগঠন ভূমিসন্তান বাংলাদেশের সমন্বয়ক আশরাফুল কবীর বলেন, ‘এই সঙ্কটকালিন সময়ে রাতারগুল তার অতীত অনেক ঐতিহ্য ফিরে পেয়েছে তার গ্রাণ সঞ্চারণ হয়েছে। এমনটি ধরে লাখতে পারলে ভবিষ্যতে রাতারগু জলবায়ু পরিবর্তনের এই বিশ্বে বাংলাদেশে নাম অনে উজ্জল করবে।’

জেলা প্রশাসক কাজী মোহাম্মদ এমদাদুল ইসলাম বলেন, ‘করোনার কারনে রাতারগুলে পর্যটক বন্ধ থাকার কারনে প্রকৃতিক পরিবেশ অনেক জায়গাতে ফেরত আসছে আগের পজিশনে। রির্জাভ ফরেস্টের কিছু বাধ্য বাধকতা আছে। খুব বেশি জনগন এখানে ভিড় করুক তা আমরা চাইব না।’

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও খবর...

পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ