মেসির হাতে গোল্ডেন বল, গোল্ডেন বুট এমবাপ্পের

স্পোর্টস ডেস্ক;
  • প্রকাশিত: ১৯ ডিসেম্বর ২০২২, ১:২৩ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: ২ মাস আগে

ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে শিরোপা উঁচিয়ে ধরলেন লিওনেল মেসি। তবে আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের স্বপ্ন প্রায় কেড়েই নিচ্ছিলেন তারই ক্লাব সতীর্থ কিলিয়ান এমবাপ্পে।

এমনকি মেসির জোড়া গোলের বিপরীতে হ্যাটট্রিক করেছিলেন ফরাসি ফরোয়ার্ড। কিন্তু শেষ হাসি হেসেছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। অবশ্য গোলের সংখ্যায় ঠিকই মেসিকে ছাড়িয়ে গেছেন তিনি। ফলে বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট জিতে নিয়েছেন এই ২৩ বছর বয়সী তরুণ। তবে মেসি ঠিকই ম্যাচসেরার পুরস্কার ঝুলিতে পুরেছেন।

২০২২ বিশ্বকাপের ফাইনালে আজ টাইব্রেকারে (৪-২) ফরাসিদের হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের নির্ধারিত সময়ের পর অতিরিক্ত সময়ও ৩-৩ গোলে শেষ হয়। এর মধ্যে আর্জেন্টিনার হয়ে ২ গোল করেন মেসি। আর দ্বিতীয়ার্ধের শেষদিকে মাত্র ৯৭ সেকেন্ডের জাদুতে জোড়া গোল করেন এমবাপ্পে। এরপর শেষ বাঁশি বাজার আগে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন তিনি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে ফাইনালে দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক এটি। এর আগে ১৯৬৬ বিশ্বকাপে জার্মানির বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেন সাবেক ইংলিশ ফুটবলার জিওফ হার্স্ট।

ম্যাচে প্রথম গোল করার পরই রেকর্ড বুকে নাম লিখিয়েছেন এমবাপ্পে। সবচেয়ে কম বয়সী ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপে ১০ গোল করেছেন এমবাপ্পে। তার আগে এই রেকর্ড ছিল জার্মানির গার্ড মুলারের দখলে। মুলার ২৪ বছর ২২৬ দিন বয়সে বিশ্বকাপে ১০ গোল করেছিলেন। এমবাপ্পে ২৩ বছর ৩৬৩ দিনে বিশ্বকাপে ১০ গোল করে সেই রেকর্ড নিজের করে নিলেন।

পেনাল্টি থেকে গোল করে রেকর্ড গড়ার ৯৭ সেকেন্ডের মাথায় দ্বিতীয় গোল করেন এমবাপ্পে। এই গোলেও নতুন এক মাইলফলক স্পর্শ করেছেন তিনি। ২০০২ সালের পর বিশ্বকাপের ফাইনালে জোড়া গোল করা প্রথম ফুটবলার হন এমবাপ্পে। ২০০২ সালে জার্মানির বিপক্ষে ফাইনালে ব্রাজিলের হয়ে জোড়া গোল করেছিলেন রোনালদো।

এরপর হ্যাটট্রিক করে বাকি সব কীর্তি ছাড়িয়ে যান এমবাপ্পে। বিশ্বকাপের মঞ্চে এমবাপ্পের মোট গোলসংখ্যা এখন ১২। এবারের বিশ্বকাপে তার গোলসংখ্যা ৮টি (মেসির ৭টি)। ফলে গোল্ডেন বুট তার হাতেই উঠে। কিন্তু মেসি ৭ গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন ৩টি। দলকে বিশ্বকাপ জেতানোর পেছনে মূল ভূমিকা রাখায় তাই টুর্নামেন্ট সেরা নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও খবর...

পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরি