বাংলাদেশের সামনে পাহাড়সম লক্ষ্য লঙ্কানদের

সিলেট ডায়রি ডেস্ক;
  • প্রকাশিত: ২৪ মার্চ ২০২৪, ৫:১৬ অপরাহ্ণ | আপডেট: ৩ সপ্তাহ আগে

প্রথম ইনিংসে ৯২ রানে পিছিয়ে থেকেই ম্যাচ থেকে এক প্রকার ছিটকে গিয়েছিল বাংলাদেশ। ম্যাচে ফেরত আসার জন্য দ্বিতীয় ইনিংসে সফরকারী লঙ্কানদের অল্পতে আটকাতে হতো নাজমুল হোসেন শান্তর দলের। সেই কাজে পুরোপুরি ব্যর্থ হওয়ায় এখন জয়ের জন্য রীতিমতো পাহাড় পেরোতে হবে শান্ত-মমিনুলদের।

রোববার (২৪ মার্চ) চায়ের শহর সিলেটে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিনের খেলা চলছে। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও কামিন্দু মেন্ডিস ও ধনঞ্জয় ডি সিলভার জোড়া শতকে ৪১৮ রানে অলআউট হয় লঙ্কানরা। প্রথম ইনিংসে ৯২ রানের লিডের সুবাদে বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাড়িয়েছে ৫১১ রানের।

১১৯ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে দিন শুরু করা লঙ্কানরা চাইলে দ্বিতীয় সেশনেই ইনিংস ঘোষণা করতে পারত। কারণ তখনই তাদের লিড যেয়ে দাড়ায় ৪৩০ রানে। প্রথম সেশনে নাইটওয়াচ ম্যান বিশ্ব ফার্নান্দোকে ফেরানোর পর আবার প্রথম ইনিংসের মতো ধনঞ্জয় ডি সিলভা ও কামিন্দু মেন্ডিসের জুটি। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও শতক করেন শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা ও কামিন্দু মেন্ডিস। অবশ্য প্রথম ইনিংসে ষষ্ঠ উইকেটে ২০২ রানের জুটি গড়া এই দুই লঙ্কান দ্বিতীয় ইনিংসে যোগ করতে পারেন ১৭৩ রান।

দ্বিতীয় সেশনে প্রথম শ্রীলঙ্কান অধিনায়ক হিসেবে দুই ইনিংসে শতক করার বিরল রেকর্ড গড়েন ধনাঞ্জয়া। অবশ্য তার এই শতকে বাংলাদেশও দুইবার জীবন দিয়ে সাহায্য করেছেনন। ৯টি চার ও ২টি ছক্কায় ১০৮ রানে মেহেদী হাসান মিরাজের বলে মারতে গিয়ে আউট হন তিনি। মিরাজ আউট করেন প্রভাত জয়সুরিয়া ও লাহিরু কুমারাকেও। কিন্তু টিকে ছিলেন মেন্ডিস।

তিন টেস্টের ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় শতকের পর সেটিকে দেড়শতে নেন এই বাঁহাতি। ইনিংসের ১১১তম ওভারে তাইজুল ইসলামের বলে ছক্কা মারার চেষ্টায় শর্ট মিড উইকেটে ক্যাচ আউট হলে থামে মেন্ডিসের ম্যারাথন ইনিংস। তার ব্যাট থেকে আসে ২৩৭ বলে ১৬৪ রান। ১৬টি চার ও ৬টি ছক্কা ছিল তার ইনিংসে।

এক টেস্টে একই দলে দুই ব্যাটারের জোড়া শতকের ঘটনা বিরল। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে এটি তৃতীয় ঘটনা। আর এতে রানের পাহাড়ে উঠেছে শ্রীলঙ্কা। ওয়েলিংটনে ১৯৭৪ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুই ইনিংসে জোড়া শতকের প্রথম কীর্তি গড়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার দুই সহদোর ইয়ান চ্যাপেল ও গ্রেগ চ্যাপেল। আর ২০১৪ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বিরল এই কীর্তি করেছিলেন পাকিস্তানের আজহার আলী ও মিসবাহ-উল হক।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও খবর...

পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরি