সব
সিলেটের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে স্বামীর সামনে একজন গৃহবধূকে গণধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে প্রতিবাদী অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, সিলেট ও সম্মিলিত নাট্য পরিষদ, সিলেট।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪ টায় এমসি কলেজ ছাত্রাবাসের প্রধান ফটকের সামনে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেন সিলেটের প্রায় শতাধিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ।
সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, সিলেটের সভাপতি আমিনুল ইসলাম চৌধুরী লিটনের সভাপতিত্বে ও সম্মিলিত নাট্য পরিষদ, সিলেটের সাধারণ সম্পাদক রজত কান্তি গুপ্তের পরিচালনায় কর্মসূচিতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সম্মিলিত নাট্য পরিষদের সভাপতি মিশফাক আহমেদ চৌধুরী মিশু।
এছাড়াও অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের কেন্দ্রীয় সদস্য শামসুল আলম সেলিম ও বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী সংস্থা, সিলেট বিভাগের সাধারণ সম্পাদক নীলাঞ্জনা যুঁই।
প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, এই গণধর্ষণের ঘটনা বর্বরোচিত ও অমানুষিক। ঘটনার সাথে জড়িত সকলকে দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
তারা বলেন, শিক্ষার্থী খাদিজার উপর হামলা, ঐতিহ্যবাহী ছাত্রাবাস আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া এবং সর্বশেষ কলেজের ছাত্রাবাসে গণধর্ষণের ঘটনা এই কলেজের দীর্ঘদিনের সুনামকে বিনষ্ট করেছে।
বক্তারা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে সারাদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও হোস্টেলগুলো যেখানে বন্ধ রয়েছে সেখানে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ছাত্র ও বহিরাগতদের অবস্থান করার দায়-দায়িত্ব কলেজ কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা এবং ব্যর্থতার ফসল।
বক্তারা পুলিশ প্রশাসন কর্তৃক এ পর্যন্ত দু’জন অন্যতম আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে উল্লেখ করে বলেন, অন্যান্য আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
তারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে একটি স্বাধীন সার্বভৌমত্ব দেশে সিলেটসহ বিভিন্ন স্থানে গণধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ যাতে আর সংঘটিত না হয় সেজন্যে অপরাধের সাথে যুক্ত ও তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতাদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোরভাবে ব্যবস্থা নিবে বলে আমরা আশা করি। তারা গণধর্ষণকারীদের বিচার দাবিতে কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন।
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরি