ছাতকে বিদ্যুৎ বিভ্রাটে জনজীবন অতিষ্ঠ

শংকর দত্ত, ছাতক;
  • প্রকাশিত: ২৫ এপ্রিল ২০২২, ৯:০৬ অপরাহ্ণ | আপডেট: ২ বছর আগে

দিনে প্রখর রোদ, তীব্র দাবদাহ। রাতে ভ্যাপসা গরম। সঙ্গে লোডশেডিং। সব মিলিয়ে জনজীবন অতিষ্ঠ। লোডশেডিংয়ের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে কলকারখানাতেও।

ছাতকে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) লোডশেডিংয়ের মাত্রা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। তীব্র গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে লোডশেডিং বাড়ায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে নগর ও গ্রামীণ জীবন। লোডশেডিংয়ের মাত্রা এতটাই বেশি বিদ্যুৎ কখন আসে যায় তা অনেক সময় বোঝাই যায় না। বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার ৩-৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও অনেক সময় বিদ্যুতের দেখা মেলে না, এমনকি কোনো কোনো এলাকায় ১২-১৩ ঘণ্টাতেও আসে না বিদ্যুৎ। অনেক সময় বিদ্যুৎ আসলেও এর স্থায়ীত্ব থাকে দুই মিনিট থেকে সর্বোচ্চ ১০ মিনিট পর্যন্ত।

বিদ্যুতের এমন পরিস্থিতিতে নাকাল হয়ে পড়েছে ছাতক পৌরবাসী সহ সংশ্লিষ্ট এলাকা গুলো। এজন্য অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

কথা হয় ছাতক পৌরসভা কালিবাড়ী এলাকার বিশ্ব ঘোষের সঙ্গে, তিনি বলেন চলছে বৈশাখী প্রচণ্ড খরতাপ। তার ওপর বিদ্যুতের প্রবল সংকট। দুধের বাচ্চা অশান্তিতে ঘুমাতে পারে না। এ অবস্থায় পৌর নগরজীবনে ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা। বিদ্যুতের এ তীব্র সংকটে অনেক এলাকায় পানিরও সমস্যা দেখা দিয়েছে।

ব্যবসায়ী বাবলু মিয়া জানান, ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে এত বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরি করেছেন, তাতে হাজার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। এতো বিদ্যুৎ কোথায় যায়? সারাদিন রোজা রেখে ইফতারের সময় বিদ্যুৎ থাকে না! সেহেরির সময় বিদ্যুৎ থাকে না। ঘুমাতে পারি না গরমের অসহ্য যন্তনায়। অামাদের কেনো এতো দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তো কোন কিছু কমতি রাখছেন না তাহলে এতো জনদূর্ভোগ কেনো।

তার সঙ্গে সহমত পোষণ করেন নোয়ারাই বাজারের ব্যবসায়ী আমীর আলী, পৌর এলাকার বাসিন্দা পংকজ চৌধুরী ও মৃদুল দাস।

এ ব্যাপারে নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রাজ্জাক ও সহকারি নির্বাহী প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসানকে অফিসে গিয়ে পাওয়া যায় নি। অসংখ্য বার উনাদের ফোন করলেও ধরেন নি।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও খবর...

পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরি