সব
মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় নিজের স্ত্রীকে হত্যার পর ৬ মাস পর ঘাতক স্বামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সোমবার রাতে গাজীপুর থেকে তাকে আটক করে কুলাউড়া থানা পুলিশ।
জানা যায়, জামালপুরের বকশিগঞ্জ উপজেলার শাহা জামাল মিয়ার ছেলে নাঈম মিয়া (২৪) ইকোফুড নামক কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি হিসাবে কুলাউড়া পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের শিবির এলাকায় বসোবাস করতেন। সে সুবাদে পরিচয় হয় পাশের কুলাউড়া গ্রামের মুন্নি আক্তারের সাথে। এরপর প্রেম-ভালবাসা গড়ায় বিয়েতে। মে মাসে পরিবারের সম্মতিতেই মুন্নিকে বিয়ে করেন নাঈম। দু’মাস পেরোনের আগেই তাদের দাম্পত্য জীবনে যৌতুক নিয়ে কলহের সৃষ্টি হয়। বিয়ের মাত্র ২ মাস পর ৮ জুলাই রাতে যৌতুকের বিষয় দু’জনের মাধ্যে ঝগড়া শুরু হলে নাঈম মুন্নিকে এলোপাতাড়ী মারপিট করেন। তীব্র আঘাতে বাম কান দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান মুন্নি। এরপর দরজায় তালা দিয়ে নাঈম মিয়া পালিয়ে যান।
পুলিশ জানায়, ঘটনার পর থেকে মুন্নি হত্যার রহস্য উদঘাটন এবং তার স্বামী নাঈম মিয়াকে আটক করতে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালায় কুলাউড়া থানা পুলিশ। সবশেষে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে তার অবস্থান নির্ণয় সম্ভব হয়। ১৯ ডিসেম্বর রাতে গাজীপুর জেলায় অভিযানে চালায় পুলিশ। ৩ দিন পর সোমবার গাজীপুরের বাসন থানার বউবাজার এলাকা থেকে নাঈম মিয়াকে আটক করা হয়।
কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিনয় ভূষন রায় সত্যতা নিশ্চিত করে জানান নাঈম মিয়াকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরি