সব
পেটে ক্ষিদা যেন কোন কিছুই মানে না। দূর্যোগ বা মহামারী যা কিছুই আসে জীবন চলার পথে একটু ভাত খেয়ে বেঁচে থাকতে হয়। এমনি এক মহামারী দেখা দেয় করোনা ভাইরাস। হাজার হাজার মানুষকে করে ফেলে বেকার ও কর্মহীন। আর এমনই একজন কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষ নাম তার বাচ্চু মিয়া। বাড়ি তার হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার মুড়িয়াউক গ্রামে।
ঢাকা হোটেল কর্মচারীর কাজ করতেন। সব কিছুই যেন উলট পালট করে দিল করোনা ভাইরাস। করোনার কারনে হোটেল ব্যবসা মন্দা। তাই মালিকের আয় থেকে ব্যায় বেড়ে যায় যা পুষিয়ে নিতে পারেন না। তাই এই কাজ ছেড়ে চলে আসতে হয় গ্রামে। গ্রামে এসে কি করবেন, কি ভাবে চলবে তার সংসার। স্ত্রী ও ৪ ছেলে নিয়ে তার ৬ সদস্য বিশিষ্ট পরিবার। তাদের খাবার, বরণ পোষণ, লেখা পড়ার খরছ কি ভাবে চালাবেন কোন উপায় খুঁজে পাচ্ছেন না বাচ্চু মিয়া। খোঁজতে থাকেন উপার্জনের পথ। তা যে হচ্ছে না অর্থশূন্যের কারণে।
পরে অল্প টাকায় শুরু করেন স্থানীয় বুল্লাবাজারে মাথায় নিয়ে ফুচকা বিক্রি। ফুচকা বিক্রি করে যা টাকা ইনকাম হয় তা দিয়ে কোন রকম দিন যায়। বাচ্চু মিয়া জানান, তার ফুচকা বাচ্চারা ও বাজারে বিভিন্ন বয়সের লোকরা খেয়ে থাকে। তিনি প্রতিদিন ২শ থেকে ৩শ টাকা আয় করেন ফুচকা বিক্রি করে।
তিনি বলেন, জীবনে কোন দিন সাহায্য চাইনি ও নেইনি এখন অনেক কষ্টে দিন যাচ্ছে। আমাদের কেউ দেখেনি কি অবস্থায় আছি। শুনেছি সরকার নাকি এই করোনা কালে অনেক সাহায্য ও প্রনোদনা দিচ্ছে তবে আমাদের মত গরিব মানুষদের। সরকার যদি আমার মত এই সময়ের অসহায় কে একটু সহযোগিতা করত তাহলে ভালো একটা কিছু করে দুঃখ দূর করে খেয়ে বেঁচে থাকতে পারতাম।
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরি