অপহরণের আড়াই মাস পর মেয়ে উদ্ধার, যুবক গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক ;
  • প্রকাশিত: ১৯ আগস্ট ২০২০, ৮:০৪ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: ৪ বছর আগে

অপহরণের আড়াই মাস পর স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার করেছে জালালাবাদ থানা পুলিশ। উদ্ধারকৃত চৈতী রানী দেব (১৩) সিলেট নগরীর হালদারপারা এলাকার বাসিন্দা।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে নয়টার দিকে নগরীর পল্লবী আবাসিক এলাকার পলিটুলা থেকে অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করা হয় । এ সময় অপহরণকারী যুবক জুনেদ আহমেদকে (১৯) আটক করা হয়।

জানা যায়, গত ৩১ মে হালদারপাড়া এলাকা থেকে চৈতী রানী দেবকে জুনেদ আহমেদ পুষলিয়ে বাসা থেকে বের করে নিয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুজির পর মেয়ের সন্ধান না পেয়ে অপরহণের পাঁচ দিন পর ৬ জুন জালালাবাদ থানায় চৈতীর মা যশোদা রানী দেব মামলা দায়ের করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, নগরীর আখালিয়া নয়াবাজার এলাকার রতন মিয়ার ছেলে জুনেদ আহমেদ ওরফে জুনাক মিয়া হালদারপারা এলাকার স্কুল ছাত্রী চৈতী রানী দেবকে বাসার সামন থেকে অপরহন করে নিয়ে যায় এবং এরই প্রেক্ষিতে অপহরনের স্বীকার চৈতী রানী দেবের মা যশোদা রানী বাধি হয়ে জালালাবাদ থানায় অপহরণ মামলা ধায়ের করেন।

মামলার প্রায় আড়াই মাস পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে জালালাবাদ থানাধীন পনিটুলা আবাসিক এলাকা থেকে অপহৃত চৈতী রানী দেবকে উদ্দার করে হয় এবং অপরহনকারী যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জালালাবাদ থানার এই আই রাজিত রায় এ ব্যপারে সিলেট ডায়রিকে বলেন, ভিক্টিমকে কোতোয়ালী থানাধীন ভিক্টিম সাপোর্ট সেন্টারে রাখা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেন জানান।

এদিকে জুনেদ আহমেদ নিজের ও অপহৃত ছাত্রীর ভূয়া জন্মসনদ বানিয়ে কোর্ট ম্যারেজ এবং তাকে ধর্মান্তরিত করার কথা জানা গেলেও অপরিণত বয়সে এই ধরণের বিয়ের আইনগত কোন ভিত্তি নেই বলে জানায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। অপরদিকে ভূয়া সনদে অপরিনিত বয়সে বিয়ে রেজিষ্ট্রির গোজব ছড়ানোয় ক্ষুব্দ ছাত্রীর পরিবারটি। তারা এর সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেন।

জালালাবাদ থানার ওসি অকিল উদ্দিন বলেন, গত আড়াই মাস আগে মেয়ের মা আমাদের থানায় অপরহন মামলা ধায়ের করেন, এরই প্রেক্ষিত অভিযান চালিয়ে অপহরনকারী জুনেদ ও ভিক্টিমকে উদ্ধার করি। অপহরনকারী জুনেদকে দুপুর দুইটায় আদালতে প্রেরণ করা হবে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও খবর...

পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরি